হামলা ও হেনস্তার শিকার সাংবাদিক বর্ষা কৈরী
সারাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের মধ্যে গত ১২ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার শ্যামলীতে সংবাদকর্মী বর্ষা কৈরী হামলার শিকার হয়েছেন। জুলাই আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট আগওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর মব সৃষ্টি করে নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। তৌহিদী জনতা নাম দিয়ে নারীদের হেনস্তা করা হচ্ছে। নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন ধর্মী সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মের হিন্দু সম্প্রদায়সহ বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ এবং সাংবাদিকরা।
এর ধারাবিহতকায় ১২ আগস্ট সাংবাদিক বর্ষা কৈরীকে হামলা করা হয়। তবে পথচারীরা এগিয়ে আসলে সে কোনো রকমে বেছে যান। সামান্য আহত হলেও তার গুরুতর কিছু হয়নি।
জুলাই আন্দোলনে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে বাংলাদেশ জুড়ে চলে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা শুরু হয়। ধর্ম অবমাননা আওয়ামী লীগের দোসর ট্যাগ দিয়ে যে কাউকে মব তৈরি করে নির্যাতন করা হচ্ছে, হচ্ছে হত্যাকাণ্ডের শিকার। জুলাই আন্দোলনের সময় দেশের বেশিরভাগ থানাগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, বন্ধ রয়েছে থানার কার্যক্রমও। মব তৈরি করে পুলিশসহ সাধারণ মানুষও হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন নিয়মিত।
বর্ষা কৈরী জানান, ১২ই আগস্ট চারজন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী ঢাকার শ্যামলী এলাকায় সন্ধ্যা
৬টার দিকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
বর্ষা কৈরী শ্যামলী এলাকার অস্থায়ী বাসিন্দা। তিনি আরও জানান, অজ্ঞানামা ওই ব্যক্তিরা আমাদের হুমকি দিয়ে বলেন, শালিন পোশাক না পরলে প্রাণে মেরে ফেলবে, পরিবারসহ সবাইকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। থানার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় জিডি পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। আগেও বেশ কয়েক বছর ধরে তাকে হুমকি দেওয়া হয় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করার কারণে।
বর্ষা আরও জানান, আমি ট্রমার মধ্যে আছি, কখন তারা আবার আক্রমণ করে।
/এসএম/১২/০৮/২০২৪

